নিজস্ব প্রতিবেদক।।খুলনার বয়রা কলেজ মোড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বন্ধন সাংস্কৃতিক একাডেমির উদ্যোগে ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’ শীর্ষক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজন, শিক্ষাবিদ, সংগঠক, শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বন্ধন সাংস্কৃতিক একাডেমি দীর্ঘদিন ধরে নতুন প্রজন্মের মধ্যে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই এ বিশেষ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস এন ডেভেলপার লিমিটেড, খুলনার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. বখতিয়ার হোসাইন। তিনি বলেন, “একটি সুস্থ, মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিভাগীয় শিশু-কিশোর পরিষদ, খুলনা মহানগরের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি শেখ মো. নিয়াজ আহমেদ। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়া শিশু-কিশোর পরিষদের সভাপতি শেখ মো. আমিন, খুলনা মহানগর জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক এম রোমানিয়া, সোনাডাঙ্গা থানা জাসাসের সভাপতি শেখ আলীমুজ্জামান এবং খুলনা আর্ট স্কুলের পরিচালক বিধান চন্দ্র রায়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বন্ধন সাংস্কৃতিক একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. শহীদুল ইসলাম রাজু এবং সঞ্চালনা করেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব এস এম ফরিদ রানা।
সন্ধ্যাজুড়ে সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্যসহ নানা ধরনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। একাডেমির শিক্ষার্থী ও শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা দর্শকদের ব্যাপকভাবে মুগ্ধ করে এবং উপস্থিত দর্শকরা করতালির মাধ্যমে তাদের উৎসাহিত করেন।
বক্তারা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি নতুন শিল্পীদের জন্য আরও বেশি সুযোগ সৃষ্টি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সংস্কৃতিচর্চার পরিসর সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত অতিথি, শিল্পী, শিক্ষার্থী ও দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও সমাজে ইতিবাচক সাংস্কৃতিক চর্চা বিস্তারে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

